শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৬:২১
শিরোনাম :
বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ

দুমকিতে টাইফয়েড কর্মসূচি জোরদার,স্কুল পর্যায়ে টিকাদানের হার ৯৪%

মো: রাকিবুল হাসান,দুমকি(পটুয়াখালী) উপজেলা সংবাদদাতা ।। পটুয়াখালীর দুমকিতে সরকার ঘোষিত গত ১২ অক্টোবর থেকে আগামী ১৩ নভেম্বর টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এ পর্যন্ত স্কুল পর্যায়ে টিকাদানের হার ৯৪% এবং কমিউনিটি পর্যায়ে ৩৮.৫৮% সমাপ্ত হয়েছে।

দুমকি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা দপ্তর সূত্রে জানা যায়,গত ১২ অক্টোবর/২৫ থেকে চলমান টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ৯মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের মোট লক্ষ্যে মাত্রা ছিল ২০,৮৭৩ জন। এর মধ্যে স্কুল পর্যায়ে ছাত্র ছাত্রীর লক্ষ্যমাত্রা ১৫,৪৯৩ জন এবং কমিউনিটি আওতায় লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৮৫০ জন। স্কুল পর্যায়ে রেজিষ্ট্রেশনের হার ৬৫.৫০% এবং কমিউনিটি পর্যায়ে রেজিষ্ট্রেশনের হার ছিল ৯১.৫০% যা উভয় মিলে উপজেলা পর্যায়ে রেজিষ্ট্রেশনের হার ছিল ৭২.২৮%।

স্কুল পর্যায়ে ছাত্র ছাত্রীদের ১৫৪৯৪ জনের মধ্যে ১৪৫৫৯ জন ইতি মধ্যে টাইফয়েড টিকা গ্রহণ করেছে। কমিউনিটি পর্যায়ে ৫৮৩০ জনের মধ্যে এপর্যন্ত টিকা গ্রহণ করেছে ২০৭৩ জন। সব মিলিয়ে স্কুল পর্যায়ে টিকাদানের হার ৯৪% এবং কমিউনিটি পর্যায়ে ৩৮.৫০%। তবে উভয় সেকসনের টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি আগামী ১৩ নভেম্বর/২৫ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

এব্যাপারে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহিন দৈনিক ইনকিলাব’কে জানান, প্রথম দিকে রেজিষ্ট্রেশন ও টিকা নেয়ার হার কম থাকলেও বর্তমানে অভিভাবক ও ছাত্র ছাত্রী রা যথেষ্ট সচেতন হয়ছে। ফলে টীকা নেয়ার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। সামনে আরও ১ সপ্তাহ ক্যম্পেইন চলবে। আশাকরি আমরা নির্দিষ্ট সময়ে সকল শিশু কিশোরকে টিকা দিতে সক্ষম হব।